শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ : আহ্বায়ক শাহিন সদস্য সচিব তুষার। কালের খবর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন সেনাবাহিনীর। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর
মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রকে বেধরক মারধরের অভিযোগ। কালের খবর

মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রকে বেধরক মারধরের অভিযোগ। কালের খবর

ডেমরা প্রতিনিধি, কালের খবর :
রাজধানীর ডেমরায় দশম শ্রেণীর সনদপত্র ও প্রশংসাপত্র চাওয়ায় সুলতান আরেফিন অন্তর (২০) নামে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছু এক ছাত্রকে বেধরক মারধর করানোর অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ডেমরার কোনাপাড়া মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজে প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই ভুক্তভোগীর বাবা সামসুল আরেফিন জ্বিলানি বুধবার সন্ধায় যাত্রাবাড়ী থানায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ জন সাবেক ছাত্রসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বর্তমানে অন্তর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা সামসুল আরেফিন জ্বিলানি বলেন, কোনাপাড়ার মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে সদ্য এসএসসি পাশ করা আমার ছেলে অন্তর একাদশ শ্রেণীতে অন্যত্র ভর্তির জন্য ইচ্ছা পোষন করে যা ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মানছেনা। গত ১০/১২ দিন ধরে সনদপত্র ও প্রশংসাপত্র পাওয়ার আশায় ওই প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলামের কাছে ঘুরতে হচ্ছে ছেলেটিকে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ডেমরার বাঁশের পুল এলাকায় আমার বাসা থেকে অন্তর আবারও ওই স্কুলে গেলে অধ্যক্ষ আজও ফিরিয়ে দেয় তাকে। এ সময় অধ্যক্ষ বলেন সভাপতি আসলে এসব দেওয়া যেতে পারে। পরে ওই স্কুলের মাঠে কয়েকজন অন্তরকে ক্রিক্রেটের বেট দিয়ে বেধরক মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় খবর পেয়ে আমি ছেলেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মার্কসিট ছাড়া কোন সনদ বা প্রশংসাপত্র দেওয়ার নিয়ম নেই। ছেলেটিকে বেধরকভাবে মারা হয়েছে এটা সত্য, তবে এ মারধর আমি করিয়েছি এটি মিথ্যা। খেলাধুলা নিয়ে সাবেক ছাত্ররা নিজেদের মধ্যে মারামারি করেছে যার ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ছেলের বাব।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com